WBJEE 2026 Counselling Guide: Seat Acceptance Fee, Required Documents, and Admission Process
WBJEE 2026 কাউন্সিলিং প্রক্রিয়া: সিট অ্যালটমেন্ট, ফি এবং ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ গাইড
WBJEE 2026 পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল ছাত্রছাত্রীদের জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো কাউন্সিলিং প্রক্রিয়া। এই গাইডটিতে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি যে কীভাবে কাউন্সিলিংয়ে অংশগ্রহণ করবেন, সিট কনফার্ম করবেন এবং কোন কোন নথিপত্র আপনার প্রয়োজন হবে।
H2: WBJEE 2026 কাউন্সিলিং কী এবং কারা অংশগ্রহণ করতে পারেন?
WBJEEB (পশ্চিমবঙ্গ জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশন বোর্ড) দ্বারা পরিচালিত এই কাউন্সিলিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং, টেকনোলজি এবং ফার্মেসি কলেজে ভর্তি হওয়া যায়। যারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, তারা অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন এবং চয়েস ফিলিং-এর মাধ্যমে এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারেন।
H2: অ্যাকসেপ্টেন্স ফি (Seat Acceptance Fee)সিট
সিট পাওয়ার পর তা নিজের নামে সুরক্ষিত বা কনফার্ম করার জন্য আপনাকে নির্দিষ্ট ফি জমা দিতে হবে।
ফি: সকল ক্যাটাগরির ছাত্রছাত্রীদের জন্য ৫০০০ টাকা।
পেমেন্ট মোড: শুধুমাত্র অনলাইন (নেট ব্যাংকিং, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড বা UPI)। কোনোভাবেই অফলাইন বা ব্যাংক চালানের মাধ্যমে ফি নেওয়া হবে না।
সতর্কতা: এই ফি জমা না দিলে আপনার বরাদ্দকৃত সিটটি বাতিল বলে গণ্য হবে।
H2: কাউন্সিলিং-এর ধাপসমূহ (Step-by-Step Process)
১. লগইন: অফিসিয়াল ওয়েবসাইট wbjeeb.nic.in/wbjee-তে গিয়ে আপনার রোল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। Click here for apply
২. সিট অ্যালটমেন্ট চেক: ড্যাশবোর্ডে গিয়ে দেখুন আপনাকে কোনো সিট দেওয়া হয়েছে কি না।
৩. অপশন নির্বাচন:
Accept and Freeze: যদি আপনি প্রাপ্ত কলেজ ও শাখা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকেন।
Accept and Float: যদি আপনি পরবর্তী রাউন্ডে আরও ভালো কলেজ পাওয়ার আশা রাখেন।
৪. ফি পেমেন্ট: ৫০০০ টাকা অনলাইনে জমা দিন।
৫. অ্যালটমেন্ট লেটার: পেমেন্ট সফল হওয়ার পর ‘Provisional Allotment Letter’ ডাউনলোড করে প্রিন্ট নিন।
H2: প্রয়োজনীয় নথিপত্র (Documents Checklist)
ভর্তির সময় কলেজে রিপোর্টিং-এর জন্য নিম্নলিখিত নথিপত্রের আসল কপি এবং ফটোকপি অবশ্যই সাথে রাখবেন:
WBJEE 2026 র্যাঙ্ক কার্ড এবং প্রভিশনাল অ্যালটমেন্ট লেটার।
দশম শ্রেণির অ্যাডমিট কার্ড বা জন্ম শংসাপত্র (বয়সের প্রমাণ হিসেবে)।
দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির মার্কশিট।
ডোমিসাইল সার্টিফিকেট (Proforma A1, A2, বা B)।
কাস্ট সার্টিফিকেট (SC/ST/OBC-A/OBC-B), যদি প্রযোজ্য হয়।
TFW (Tuition Fee Waiver) সার্টিফিকেট, যদি সেই কোটায় সিট পান।
একটি বৈধ ফটো আইডি (আধার কার্ড, ভোটার আইডি বা পাসপোর্ট)।
H2: উইথড্রল (Withdrawal) এবং রিফান্ড প্রক্রিয়া
যদি আপনি ভর্তি প্রক্রিয়া থেকে সরে আসতে চান, তবে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘Withdraw’ অপশনটি ব্যবহার করুন। সঠিক ব্যাংক ডিটেইলস দিলে নিয়মানুযায়ী টাকা রিফান্ড পাওয়া সম্ভব। মনে রাখবেন, নির্দিষ্ট তারিখের আগেই এই কাজটি সম্পন্ন করতে হবে।
H2: গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
অনলাইনে ফি জমা দেওয়া মানেই ভর্তি চূড়ান্ত হওয়া নয়। ফি দেওয়ার পর আপনাকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কলেজে সশরীরে গিয়ে ফিজিক্যাল রিপোর্টিং এবং ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন করাতে হবে। এটি ছাড়া ভর্তি প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

Comments
Post a Comment